নিজস্ব প্রতিবেদক, বড়াইগ্রাম, নাটোর
নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার নগর এলাকার চার বছরের শিশু অনন্যা গুরুতর অসুস্থ। ফুটফুটে এই শিশুটির চিকিৎসা চালাতে গিয়ে পরিবারটি ইতোমধ্যে তাদের সামর্থ্যের প্রায় সবটুকুই হারিয়েছে। মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে জমিজমা বিক্রি করেও এখন আর ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করতে পারছে না পরিবার।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অনন্যার ফুসফুসে ইনফেকশন, কিডনিতে স্পট, রক্তের কণিকা নষ্ট হওয়া এবং প্রস্রাবে ইনফেকশনসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দিয়েছে। অসুস্থতার কারণে তাকে নিয়মিত চিকিৎসা, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ওষুধের মধ্যে রাখতে হচ্ছে।
স্বজনরা জানান, মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে নিজেদের সাধ্যমতো সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছেন তারা। চিকিৎসার খরচ মেটাতে একে একে জমিজমা বিক্রি করতে হয়েছে। কিন্তু এখন পরিবারের হাতে তেমন কোনো অবলম্বন নেই। একদিকে সন্তানের চিকিৎসার দুশ্চিন্তা, অন্যদিকে অর্থের সংকট—সব মিলিয়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটছে তাদের।
পরিবারের সদস্যরা বলেন, “মেয়েটাকে সুস্থ করে তুলতে চাই। নিজেদের যা ছিল, প্রায় সবই চিকিৎসায় শেষ হয়ে গেছে। এখন অর্থের অভাবে চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। সমাজের হৃদয়বান মানুষগুলো সহযোগিতার হাত বাড়ালে আমাদের সন্তানটি আবার সুস্থ হয়ে উঠতে পারে।”
চার বছরের অনন্যার চিকিৎসা অব্যাহত রাখতে সমাজের বিত্তবান ব্যক্তি, বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও মানবিক মানুষের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে পরিবার। তাদের প্রত্যাশা, মানুষের সম্মিলিত সহযোগিতায় ছোট্ট অনন্যার চিকিৎসা থেমে যাবে না।
একটি শিশুর সুস্থভাবে বেড়ে ওঠার স্বপ্ন যেন অর্থের অভাবে থেমে না যায়—অনন্যার চিকিৎসায় মানবিক মানুষদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তার পরিবার।