বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৯ পূর্বাহ্ন

বাগমারায় প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন
অনলাইন ডেস্ক / ১৩ বার
আপডেট টাইমঃ বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

আপেল মাহমুদ রাঙ্গা বাগমারা প্রতিনিধি 

বাগমারার তোকিপুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিনের বিরুদ্ধে ঘুস, দুর্নীতি, নিয়োগ বণিজ্যে ও স্বজনপ্রীতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এসব অভিযোগের কারণে তাকে অপসাণের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার দুপুরে স্কুল গেটের সামনে দাঁড়িয়ে তোকিপুর গ্রামবাসী ও স্থানীয় জনসাধারণের ব্যানারে এই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল কর্মসূচী পালন করা হয়। এরআগে সকাল দশটার দিকে অফিস কক্ষ ঘিরে প্রধান শিক্ষককে অবরুদ্ধ করার চেষ্টা করেন বিক্ষোভকারী। তবে বিষয়টি বুঝতে পেরে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক তার আগেই স্কুল থেকে সটকে পড়েন।

মানববন্ধন শেষে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন- আউচপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহসভাপতি সামসুদ্দীন কারিগর, স্থানীয় বিএনপি নেতা আবু তাহের, আব্দুস সালাম, সোহেল রানা, মিঠু, আজাহার আলী, কৃষকদল নেতা রাশিদুল ইসলাম ও তাঁতীদল নেতা আব্দুল হাকিমসহ আরো অনেকে। বক্তারা অভিযোগ করেন- দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন ২০০৪ সালে তোকিপুর গ্রামের সাইদুল রহমানের কাছে থেকে মোট অংকের টাকা ঘুস নিয়ে এবং নয় শতক জমি রেজিস্ট্রি করে নিয়ে তার স্ত্রী রাহেমা বিবিকে আয়া পদে নিয়োগ দেন। ওই সময় একই কায়দায় সোহেল রানা ও আব্দুল হালিমসহ আরো তিনজনকে সহকারনী ক্ষিক ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। কিন্তু দীর্ঘ বাইশ প্রায় বছর অতিবাহিত হলেও তাদের এমপিওভূক্ত করা হয়নি। পরবর্তীতে দুর্নীতিবাজ প্রধান শিক্ষক মোট অংকের টাকার বিনিময়ে পূর্বে নিয়োগ পাওয়া ওই চারজনের পদে আবারও অন্য চারজনকে নতুনভাবে নিয়োগ দিয়ে তাদের এমপিওভূক্ত করার চেষ্টা করেন। এছাড়া সম্প্রতি বিদ্যালয়ের উন্নয়নমূলক কাজের জন্য সরকারীভাবে পাওয়া এক লক্ষ বিশ হাজার টাকার কোন কাজ না করে পুরো টাকা আত্নসাৎ করেন তিনি। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত বৃক্ষ রোপন কর্মসূচীর প্রাপ্ত টাকায় গাছ না লাগিয়ে সেই টাকাও আত্নসাৎ করেছেন তিনি। তার এসব অপকর্ম থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য তিনি তার আত্নীয়-স্বজনদের নিয়ে ম্যানেজিং কমিটির নামে একটি পকেট কমিটি গঠনের চেষ্টা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়। তবে এসব অভিযোগ সত্য নয় বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক গিয়াস উদ্দিন। বৃক্ষরোপনের জন্য প্রাপ্ত টাকা স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী ও শিক্ষক-কর্মচারীদের আপ্যায়নে ব্যায় করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো নিউজ
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট