নাটোর প্রতিনিধি:
গুরুদাসপুর উপজেলা পরিষদ চত্বরে হাট ইজারা নিয়ে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠলেও দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে (জিডি) সরাসরি টাকার উল্লেখ নেই—এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, নাজিরপুর ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রাকিবুর রহমান রাজার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ এনেছেন নাজিরপুর বাজারের নবনিযুক্ত হাট ইজারাদার মো. ওবায়দুল ইসলাম তপু (৩৯)। তিনি জানান, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তিনি চন্দ্রপুর তুলাধনা হাটের ইজারা লাভ করেন।
তপুর দাবি, বৈঠক শেষে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ইউএনও কার্যালয়ের সামনে উপস্থিত অবস্থায় অভিযুক্ত ব্যক্তি তার কাছে ৫ লাখ টাকা দাবি করেন এবং হাটে যেতে বাধা ও প্রাণনাশের হুমকি দেন। এ ঘটনায় তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে জানান।
তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গুরুদাসপুর থানা-য় দায়ের করা সাধারণ ডায়েরিতে সরাসরি টাকা চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ নেই। জিডিতে মূলত গালিগালাজ, হুমকি ও প্রাণনাশের আশঙ্কার কথা বলা হয়েছে। যদিও বিভিন্ন অনলাইন ও প্রিন্ট পত্রিকায় ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবির বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে।
এ বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা হলে গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বলেন, “টাকা চাওয়ার বিষয়টি আমরা নিশ্চিত নই। সেখানে তর্ক-বিতর্ক হয়েছে। আমাদের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ এসেছে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ঘটনাটি নিয়ে এলাকায় আলোচনা-সমালোচনা চলছে। হাট ইজারা প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে এমন উত্তেজনা ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ তৈরি করেছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক।