বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৯ পূর্বাহ্ন

রাইস ব্র্যান অয়েল নিয়ে বড় প্রশ্ন, টিসিবির ক্রয়ে বাড়তি দামের অভিযোগ
অনলাইন ডেস্ক / ১০২ বার
আপডেট টাইমঃ শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

‎

‎‎বিশেষ প্রতিনিধি

 

‎বাজারদর ১৫০ টাকা, টিসিবির ক্রয় ১৮১.৫০ এক কোটি লিটারে সম্ভাব্য ব্যবধান ৩১.৫০ কোটি টাকা | বেনাপোল দিয়ে ভারতে পণ্য নেওয়ার অভিযোগ |

‎রাইস ব্র্যান থেকে ফিড, মাছ ও ধান পুরো কৃষিশৃঙ্খলে প্রভাবের আশঙ্কা

‎রাইস ব্র্যান অয়েলকে ঘিরে সরকারি ক্রয়, বাজারব্যবস্থা, সীমান্ত বাণিজ্য ও কৃষিভিত্তিক শিল্পে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্ট একটি আবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে খোলা বাজারে প্রতি লিটার রাইস ব্র্যান অয়েলের দাম প্রায় ১৫০ টাকা হলেও ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য একই ধরনের তেল প্রায় ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা দরে কেনার প্রক্রিয়া হয়েছে। এতে প্রতি লিটারে প্রায় ৩১ টাকা ৫০ পয়সা পার্থক্য রয়েছে।

‎প্রায় এক কোটি লিটার তেলের ক্ষেত্রে এই ব্যবধানের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩১ কোটি ৫০ লাখ টাকা। তবে এই পুরো অর্থকে সরকারি ক্ষতি হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করার আগে পণ্যের মান, প্যাকেজিং, পরিবহন, কর, ভ্যাট, সরবরাহ ব্যয় এবং অন্যান্য বৈধ খরচ বাদ দিয়ে প্রকৃত ক্রয়মূল্য যাচাই করা প্রয়োজন।

‎প্রশ্ন উঠেছে, সরকারি ক্রয়ে বাজারদরের তুলনায় এই পার্থক্যের কারণ কী দরপত্রে কতটি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছিল  সর্বনিম্ন দর কত ছিল? নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অন্য দরদাতাদের দরের পার্থক্য কত  এবং সরকারি অর্থ ব্যয়ের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ প্রতিযোগিতা ও সাশ্রয় নিশ্চিত করা হয়েছিল কি না।

‎এক পণ্যের দামে এত পার্থক্য কেন

‎টিসিবির প্রায় এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান অয়েল কেনার ক্ষেত্রে প্রতি লিটার ১৮১ টাকা ৫০ পয়সা দরের প্রস্তাব ও অনুমোদনের তথ্য নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

‎অভিযোগকারীদের বক্তব্য, একই সময়ে বাজারে রাইস ব্র্যান অয়েলের দাম তুলনামূলকভাবে কম ছিল। ফলে সরকারি ক্রয়মূল্য কীভাবে নির্ধারিত হয়েছে, তা যাচাই করা জরুরি।

‎এ ক্ষেত্রে টিসিবির দরপত্রের পূর্ণাঙ্গ নথি, দরদাতাদের প্রস্তাব, মূল্যায়ন কমিটির সুপারিশ, কার্যাদেশ, সরবরাহ চুক্তি এবং অর্থ পরিশোধের তথ্য প্রকাশ বা স্বাধীনভাবে নিরীক্ষা করা হলে বিষয়টি পরিষ্কার হতে পারে।

‎কারণ সরকারি ক্রয়প্রক্রিয়ায় শুধু সর্বশেষ অনুমোদিত দর নয়, কোন প্রক্রিয়ায় সেই দর নির্ধারিত হলো সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।

‎বেনাপোল দিয়ে ভারতে পণ্য যাওয়ার অভিযোগ

‎রাইস ব্র্যান অয়েল ও সংশ্লিষ্ট পণ্য বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে ভারতে নেওয়া হচ্ছে এমন অভিযোগও রয়েছে।

‎অভিযোগটি সত্য কি না, তা যাচাইয়ের জন্য বেনাপোল কাস্টমসের রপ্তানি নথি, বিল অব এক্সপোর্ট, ইনভয়েস, পরিবহন নথি, পণ্যের পরিমাণ ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।

‎আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো, বাংলাদেশে উৎপাদিত রাইস ব্র্যান বা সংশ্লিষ্ট কাঁচামাল যদি ভারতে গিয়ে প্রক্রিয়াজাত বা মূল্য সংযোজনের পর আবার বাংলাদেশে আসে, তাহলে সেই বাণিজ্যিক চক্রে কারা লাভবান হচ্ছে এবং এর প্রভাব দেশের স্থানীয় শিল্পে কী পড়ছে।

‎‘আটজনের সিন্ডিকেট’ অভিযোগের ভিত্তি কী

‎আবেদনে দাবি করা হয়েছে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকজন ব্যবসায়ী পারস্পরিকভাবে সংশ্লিষ্ট থেকে রাইস ব্র্যান ধান ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের বাজারে প্রভাব বিস্তার করছেন। মোট আটজনকে ঘিরে একটি ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

‎অভিযোগে ওয়েস্টার্ন এগ্রো প্রোডাকশন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল আজিজ, বলেন ১৫০ টাকায়  তেল পাওয়া যায় সেটা ততটা ভালো নয়, ডিআরবি  বাংলাদেশে থেকে ভারত  যাওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন  ইন্টেরিয়ন গভর্মেন্ট আসার পরে ভারতে কোন ডিআরবি যায়নি।অথচ বেনাপোল পোর্ট দিয়ে হাজার হাজার টন টিওয়ারি বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাচ্ছে।  তামিম গ্রুপের ফাউন্ডার চেয়ারম্যান শাহাজাহান আলীকে একাধিকবার ফোন করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। গ্রিন ওয়েল অ্যান্ড পোল্ট্রি ফিডের চেয়ারম্যান শাহিদুল রহমান ফোন দিলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এবং মজুমদার গ্রুপের চেয়ারম্যান কে একাধিকবার ফোন করলেও ফোনে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।  সংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

‎তবে কারও বিরুদ্ধে সিন্ডিকেট পরিচালনা, কৃষককে ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করা বা সরকারি ক্রয়ে অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে তাঁদের প্রতিষ্ঠানগুলোর মালিকানা, ব্যবসায়িক সম্পর্ক, দরপত্রে অংশগ্রহণ, সরবরাহ চুক্তি, আমদানি-রপ্তানি নথি ও আর্থিক লেনদেন স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।

‎অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য প্রয়োজন নথি, শুধু অভিযোগ নয়।

‎রাইস ব্র্যান থেকে ফিড, ফিড থেকে মাছের দাম

‎রাইস ব্র্যান শুধু তেল উৎপাদনের কাঁচামাল নয়। এর সঙ্গে দেশের পোলট্রি ও মৎস্যখাতের খাদ্যশিল্পেরও সম্পর্ক রয়েছে।

‎অভিযোগকারীদের আশঙ্কা, রাইস ব্র্যানের বাজারে কৃত্রিম সংকট বা মূল্যবৃদ্ধি তৈরি হলে ফিড উৎপাদনের খরচ বাড়তে পারে। এর প্রভাব পড়তে পারে মাছ ও পোলট্রি উৎপাদন খরচে।

‎ফিডের দাম বাড়লে মাছ চাষিদের উৎপাদন ব্যয় বাড়বে। শেষ পর্যন্ত তার একটি অংশ ভোক্তার ওপর পড়তে পারে। এতে মাছের দাম বাড়ার পাশাপাশি ছোট ও মাঝারি মাছচাষিরা চাপে পড়তে পারেন।

‎তবে রাইস ব্র্যানের মূল্যবৃদ্ধি একাই ফিড বা মাছের মূল্যবৃদ্ধির কারণ কি না, সেটিও তথ্য-উপাত্ত দিয়ে যাচাই করা প্রয়োজন। ফিডের অন্যান্য কাঁচামাল, আমদানি ব্যয়, পরিবহন, ডলার বিনিময় হার ও বাজারচাহিদার মতো বিষয়ও এখানে ভূমিকা রাখে।

‎কৃষক কি ন্যায্য দাম পাচ্ছেন

‎অভিযোগের আরেকটি দিক ধানচাষিদের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত।

‎দাবি করা হয়েছে, বাজারে বড় ব্যবসায়ী বা মিলমালিকদের প্রভাবের কারণে কৃষকেরা অনেক সময় উৎপাদন ব্যয়ের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ দাম পান না। দীর্ঘদিন এমন পরিস্থিতি চললে কৃষকের ধান চাষে আগ্রহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

‎একইভাবে বড় অটো রাইস মিলগুলোও যদি ধানের ন্যায্য দাম নিশ্চিত করতে না পারে তাহলে তাদের উৎপাদন ও বিনিয়োগে প্রভাব পড়তে পারে।

‎তবে কৃষকের ন্যায্য দাম নির্ধারণে শুধু রাইস ব্র্যানের বাজার নয়; ধানের উৎপাদন খরচ সরকারি সংগ্রহমূল্য, স্থানীয় বাজারদর মিলিং খরচ, পরিবহন ও মৌসুমি সরবরাহ সবকিছুর তথ্য বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন।

‎১৭ বছরের অভিযোগ প্রমাণ কোথায়

‎অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, বিগত প্রায় ১৭ বছর ধরে একটি ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ধানচাষিদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত করে আসছে।

‎এই অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। কারণ কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী দীর্ঘ সময় ধরে বাজার নিয়ন্ত্রণ করেছে এমন দাবি প্রতিষ্ঠিত করতে হলে বছরের পর বছর ধরে ধানের বাজারদর, কৃষকের বিক্রিমূল্য, মিল পর্যায়ের ক্রয়মূল্য, ভোক্তা পর্যায়ের দাম এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বাজার অংশীদারত্বের তথ্য বিশ্লেষণ করতে হবে।

‎শুধু অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে দায়ী না করে ২০১০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত ধান রাইস ব্র্যান, ফিড ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের বাজারের তথ্য নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ বাজার তদন্ত করা হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।

‎ভারতের মাধ্যমে পণ্য ঘুরে আসার অভিযোগ

‎অভিযোগে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রাইস ব্র্যান ভারতে পাঠানোর পর প্রক্রিয়াজাত বা মূল্য সংযোজন করে তা আবার বাংলাদেশে আনার একটি বাণিজ্যিক ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে।

‎যদি এমন কোনো বাণিজ্যিক চক্র থেকে থাকে, তাহলে প্রশ্ন উঠবে কেন বাংলাদেশে থাকা শিল্প সক্ষমতা ব্যবহার না করে পণ্য বাইরে নিয়ে গিয়ে আবার দেশে আনা হচ্ছে।

‎এ ক্ষেত্রে কাস্টমস তথ্য, আমদানি-রপ্তানি নথি, পণ্যের এইচএস কোড, ইনভয়েস মূল্য, উৎপত্তি সনদ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের তথ্য পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

‎কৃষি ও মৎস্যখাতে সম্ভাব্য প্রভাব

‎রাইস ব্র্যানের বাজার, ধানের দাম, ফিডের মূল্য এবং মাছ উৎপাদন—এসব খাত পরস্পরের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত।

‎একটি পর্যায়ে কাঁচামালের দাম বাড়লে তা ফিডের উৎপাদন ব্যয়ে প্রভাব ফেলতে পারে। ফিডের দাম বাড়লে মাছচাষির উৎপাদন খরচ বাড়তে পারে। উৎপাদন ব্যয় বাড়লে মাছের বাজারদরেও তার প্রভাব পড়তে পারে।

‎অন্যদিকে ধানের ন্যায্য দাম না পাওয়া কৃষকের উৎপাদন সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলতে পারে।

‎তাই অভিযোগে বর্ণিত বাজারচক্র সত্য হলে এর প্রভাব শুধু রাইস ব্র্যান অয়েল শিল্পে সীমাবদ্ধ থাকবে না; ধান, ফিড, মৎস্য ও ভোক্তা বাজারেও এর প্রভাব পড়তে পারে।

‎সরকারের সামনে এখন যে তদন্তগুলো জরুরি

‎অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই করতে কয়েকটি বিষয় জরুরি ভিত্তিতে পরীক্ষা করা যেতে পারে

‎১. টিসিবির রাইস ব্র্যান অয়েল ক্রয়ের সম্পূর্ণ দরপত্র ও মূল্যায়ন নথি প্রকাশ ও নিরীক্ষা।

‎২. একই সময়ে একই মানের পণ্যের খোলা বাজারদর যাচাই।

‎৩. সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও পারস্পরিক ব্যবসায়িক সম্পর্ক পরীক্ষা।

‎৪. বেনাপোল কাস্টমস দিয়ে রাইস ব্র্যান ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানির নথি যাচাই।

‎৫. সংশ্লিষ্ট পণ্যের আমদানি-রপ্তানি ও অর্থপ্রবাহ পর্যালোচনা।

‎৬. ধান, রাইস ব্র্যান, ফিড ও মাছের দামের দীর্ঘমেয়াদি তথ্য বিশ্লেষণ।

‎৭. বাজারে কোনো প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীর একচেটিয়া বা প্রতিযোগিতাবিরোধী প্রভাব আছে কি না, তা প্রতিযোগিতা কমিশনের মাধ্যমে তদন্ত।

‎শুল্ক কমানোই কি সমাধান

‎শিল্পসংশ্লিষ্টরা রাইস ব্র্যান অয়েল রপ্তানির ওপর ৩৫ শতাংশ শুল্ক পুনর্বিবেচনা করে সম্ভব হলে শূন্য শতাংশে নামানোর দাবি জানিয়েছেন।

‎তাঁদের বক্তব্য, উচ্চ রপ্তানি শুল্কের কারণে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ছে। শুল্ক কমানো হলে উৎপাদন বাড়বে, শিল্পকারখানার সক্ষমতা কাজে লাগবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ তৈরি হবে।

‎তবে রপ্তানি শুল্ক কমানোর পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ বাজারে ধান ও রাইস ব্র্যানের দাম, কৃষকের স্বার্থ এবং ফিড ও মৎস্যখাতে সম্ভাব্য প্রভাবও বিবেচনায় নেওয়া দরকার।

‎এখন দরকার নিরপেক্ষ তদন্ত

‎রাইস ব্র্যান অয়েলকে ঘিরে ওঠা অভিযোগগুলোকে

‎প্রয়োজন নথিভিত্তিক স্বাধীন তদন্ত।

‎টিসিবির ক্রয় নথি, কাস্টমসের আমদানি-রপ্তানি তথ্য, দরপত্র, বাজারদর, সরবরাহ চুক্তি, মালিকানা কাঠামো এবং আর্থিক লেনদেন একসঙ্গে বিশ্লেষণ করা হলে প্রকৃত চিত্র বেরিয়ে আসতে পারে।

‎তদন্তে যদি সরকারি ক্রয়ে অস্বাভাবিক মূল্য, যোগসাজশ, প্রতিযোগিতাবিরোধী আচরণ, বাজার কারসাজি কিংবা সীমান্ত বাণিজ্যে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

‎কারণ বিষয়টি শুধু একটি তেলের বাজারের নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে ধানচাষি, রাইস মিল, ফিডশিল্প, মাছচাষি, ভোক্তা এবং দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতি।

‎

‎

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো নিউজ
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট