বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৫৫ পূর্বাহ্ন

প্রেমিকার দেখা পেতে চীন থেকে বড়াইগ্রামে যুবক, পরিবারের বাধায় ফিরে গেলেন
অনলাইন ডেস্ক / ২৩ বার
আপডেট টাইমঃ বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

 

বড়াইগ্রাম নাটোর প্রতিনিধি

 

তথ্যসূত্রে জানা গেছে, প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে চীন থেকে নাটোরের বড়াইগ্রামে আসেন এক চীনা যুবক। প্রথমে তিনি প্রেমিকার বাবার বাড়িতে যান। সেখানে মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা তাকে নিয়ে উপজেলার খাকসা গ্রামে নানির বাড়িতে চলে আসেন। বিষয়টি জানতে পেরে ওই চীনা যুবকও খাকসা গ্রামে পৌঁছে যান। কিন্তু সেখানেও তাকে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি বলে জানা গেছে।

 

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করার আশায় ওই যুবক আশপাশের এলাকায় অবস্থান করে রাত কাটান। দীর্ঘ সময় অপেক্ষার পর শেষ পর্যন্ত সেখান থেকে চলে যান তিনি। এর একদিন পর আবারও ওই এলাকায় ফিরে আসেন চীনা যুবক। তবে পরবর্তীতে আবারও তাকে চলে যেতে দেখা যায় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

 

চলে যাওয়ার সময় ওই যুবক আবারও ফিরে আসবেন বলে জানিয়ে গেছেন বলেও তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে ঘটনাটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

এর আগে বড়াইগ্রামে প্রেমের সম্পর্কের সূত্র ধরে এক চীনা নাগরিকের বিরুদ্ধে বিয়ে এবং চীনে নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে প্রতারণার অভিযোগ উঠেছিল। ওই ঘটনায় সংবাদকর্মীদের তৎপরতার পর প্রেমিকা সাদিয়াকে সেখানে রেখে ওই চীনা নাগরিক চলে যান বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

এবার একই উপজেলায় আবারও চীন থেকে প্রেমের টানে এক যুবকের আসা এবং পরিবারের পক্ষ থেকে প্রেমিকার সঙ্গে দেখা করতে না দেওয়ার ঘটনায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে। স্থানীয়দের প্রশ্ন—একই ধরনের ঘটনায় বারবার বিদেশি নাগরিকদের আগমন কি নিছক প্রেমের সম্পর্কের বিষয়, নাকি এর পেছনে রয়েছে অন্য কোনো কারণ?

 

অন্যদিকে, বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলা হলেও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও তথ্যসূত্রে জানা গেছে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

 

ঘটনাটি ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও কৌতূহল বাড়লেও এর প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয়। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ওই চীনা যুবকের বাংলাদেশে আসার উদ্দেশ্য, সংশ্লিষ্ট তরুণীর সঙ্গে তার সম্পর্ক এবং পরিবারের আপত্তির প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

 

তবে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রশাসনের আনুষ্ঠানিক অবস্থান পাওয়া গেলে বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো নিউজ
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট