মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৪ পূর্বাহ্ন

টুঙ্গিপাড়ায় মধুমতির ভাঙনে বিলীন রান্নাঘর-বাথরুম, হুমকিতে বসতঘর। ‎
অনলাইন ডেস্ক / ৫০ বার
আপডেট টাইমঃ রবিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৬

‎

‎মোঃ শান্ত শেখ টুঙ্গিপাড়া উপজেলা প্রতিনিধি।

‎

‎গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় মধুমতি নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে কয়েকটি বসতবাড়ির রান্নাঘর ও বাথরুম। এবার হুমকির মুখে পড়েছে বসতঘর। ভাঙন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন নদীপাড়ের বাসিন্দারা। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে বসতভিটা হারিয়ে গৃহহীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো।

‎

‎সরেজমিনে দেখা যায়, টুঙ্গিপাড়া পৌরসভার পাশের পাঁচকাহনিয়া এলাকায় বালাডাঙ্গা ব্রিজের উত্তর পাশে মধুমতি নদীর পাড়ে ভাঙন দেখা দিয়েছে। নদীর অব্যাহত ভাঙনে কয়েকটি বাড়ির রান্নাঘর ও বাথরুম ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় এখন মূল বসতঘরগুলোও ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে। একই সঙ্গে ব্রিজের পিলারের কাছাকাছি ভাঙন দেখা দেওয়ায় গুরুত্বপূর্ণ এই সেতুর নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

‎

‎স্থানীয়দের ভাষ্য, শীত মৌসুমে পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ার পর নদীর পাড়ে ভাঙন তীব্র হয়েছে। প্রতিদিনই বসতভিটা হারানোর শঙ্কা বাড়ছে। চোখের সামনে ঘরবাড়ির অংশ নদীতে বিলীন হতে দেখে অসহায় হয়ে পড়েছেন পরিবারগুলো। দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

‎

‎স্থানীয় বাসিন্দা ইমন শেখ বলেন, “সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আমাদের বসতঘর নদীতে ভেঙে যাবে। পরিবার নিয়ে পথে বসতে হবে। খোলা আকাশের নিচে থাকা ছাড়া আর কোনো উপায় থাকবে না।”

‎

‎স্থানীয় সিএনজিচালক আকাশ বলেন, “এই ব্রিজ দিয়ে প্রতিদিন বিপুলসংখ্যক মানুষ যাতায়াত করেন। ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হলে টুঙ্গিপাড়া ও কোটালীপাড়ার মধ্যে যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাহত হবে। যেভাবে ব্রিজের পিলারের কাছে ভাঙন শুরু হয়েছে, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে অল্প সময়ের মধ্যেই ব্রিজটি হুমকির মুখে পড়বে।”

‎

‎এ বিষয়ে টুঙ্গিপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. দিদারুল আলম বলেন, “বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করব।”

‎

‎স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, নদীভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে একদিকে যেমন বহু পরিবার বসতভিটা হারাবে, অন্যদিকে গুরুত্বপূর্ণ সেতুটিও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তাই ক্ষতিগ্রস্ত বসতবাড়ি ও সেতু রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তাঁরা।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো নিউজ
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট