শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২০ অপরাহ্ন

বিজ্ঞানমনস্ক প্রজন্ম গড়ার আহ্বান, ডিমলায় বিজ্ঞান সপ্তাহের সমাপনী
অনলাইন ডেস্ক / ১৯ বার
আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল, ২০২৬

 

 

(নীলফামারী) প্রতিনিধি:

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৩ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। দিনব্যাপী কর্মসূচিকে ঘিরে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরানুজ্জামান বলেন, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাই আগামী দিনের উন্নত বাংলাদেশ গঠনের মূল চালিকাশক্তি। তিনি বলেন, “বর্তমান বিশ্বে টিকে থাকতে হলে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিমুখী জ্ঞান ও উদ্ভাবনী দক্ষতা অর্জন করতে হবে।” এ জন্য তিনি নিয়মিত বিজ্ঞানচর্চা ও গবেষণামুখী শিক্ষার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসের ব্যানবেস কর্মকর্তা মো. শাহিনুর ইসলাম। এতে উপস্থিত ছিলেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (কৃষিবিদ) মীর হাসান আল বান্না, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মনোয়ার হোসেন, গোলাম রাব্বানী প্রধান, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) নীলফামারী এলাকার সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ইউসুফ মো. শাকিল প্রধান এবং ডিমলা উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি মো. মায়েন কবিরসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার বিশিষ্টজন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান মেলায় অংশ নেয়। তারা নবায়নযোগ্য জ্বালানি, স্মার্ট কৃষি, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প ও মডেল উপস্থাপন করে। এসব প্রদর্শনীতে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও বাস্তবধর্মী চিন্তার পরিচয় পাওয়া যায়।

সমাপনী দিনে সেরা স্টল ও প্রকল্প উপস্থাপনকারীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। বিচারকরা সৃজনশীলতা, উপস্থাপনা দক্ষতা ও বাস্তব প্রয়োগযোগ্যতার ভিত্তিতে বিজয়ীদের নির্বাচন করেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, এ ধরনের আয়োজন শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞানমনস্কতা, কৌতূহল এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। ভবিষ্যতে আরও বৃহৎ পরিসরে বিজ্ঞান মেলার আয়োজন অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

আয়োজকরা জানান, নতুন প্রজন্মকে বিজ্ঞানমনস্ক ও প্রযুক্তিনির্ভর হিসেবে গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আয়োজন ধারাবাহিকভাবে চালু থাকলে শিক্ষার্থীরা দেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো নিউজ
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট