বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১২ পূর্বাহ্ন

উপজেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাঃ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েই নূর আলম জেসি’র পরিকল্পিত উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন ও সুশৃঙ্খল কেন্দুয়া বাসস্ট্যান্ড;কাজ করতে চান শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নেও”
অনলাইন ডেস্ক / ৩৬ বার
আপডেট টাইমঃ মঙ্গলবার, ২৩ জুন, ২০২৬

 

 

আশরাফ ইলিয়াস, কেন্দুয়া (নেত্রকোনা)।

 

 

বিগত ১৭ বছর কেন্দুয়া বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশ,রাস্তাজুড়ে এলোমেলো গাড়ি রাখার চিত্র ছিল পুরান ঢাকার ময়লার ভাগাড়ের মতো।বর্তমান কাউন্টারের পেছনের রুমগুলোতে,চাস্টলে অবাধে চলতো মাদকের আড্ডা ও বেচাকেনা। ভাড়া,যাত্রীসেবা ও শ্রমিকদের মৌলিক অধিকার বলতে কিছুই ছিলনা। সবকিছু সিন্ডিকেটের নিকট জিম্মি ছিল, কারো টু শব্দ করার মতো সাহস ছিলনা।

 

জুলাই বিপ্লবের পরবর্তীতে আওয়ামী সরকারের পতনের পর সবকিছু দখলমুক্ত হয়। তরুণ প্রজন্মের মেধাবী নেতা মানবিক নূর আলম জেসি কেন্দুয়া উপজেলা মোটরযান শ্রমিক ইউনিয়নের সাঃ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়ার পর বাসস্ট্যান্ডকে ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নেন।যত্রতত্র ময়লা আবর্জনা স্তূপ পরিস্কার করে এবং সেগুলোকে নির্দিষ্ট জায়গায় ফেলে বর্তমান বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশকে প্রথম শ্রেণির টার্মিনালের আদলে সাজানোর চেষ্টা করছেন। পরিচ্ছন্ন এবং স্বাস্হ্যকর পরিবেশ তৈরি করে, যত্রতত্র যানবাহন রাখা বন্ধ করেন। নির্দিষ্ট স্হানে পার্কিং,কাউন্টার পরিচালনায় সুশৃঙ্খল ব্যবস্থা নিয়েছেন। এখন হঠাৎ করে কেউ বাসস্ট্যান্ডে গেলে এত সুন্দর চকচকে পরিবেশ দেখে অবাক হয়ে যাচ্ছেন।

গতানুগতিক মাদক ও জুয়ার আড্ডা বন্ধ করায় যাত্রীদের চলাচলের ক্ষেত্রে নিরাপদ পরিবেশ তৈরি হয়েছে। কয়েকজন যাত্রীর সাথে কথা বললে তারা জানান, আগে বাসে চলাচল করতে এলে এখানে সেখানে বখাটের প্রাদুর্ভাব, কাউন্টারগুলো থেকে যাত্রীদের সাথে দুর্ব্যাবহার করতো এখন বেশ ভালো পরিবেশ। পরিবার পরিজন নিয়ে চলাচলে দুঃশ্চিন্তা মুক্ত থাকা যায়।

 

নেত্রকোনা জেলা জাসাস এর আহ্বায়ক ও কেন্দুয়া পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়কের মতো দুটো ভাইটাল পদে আছেন। এরপরও কেন শ্রমিক ইউনিয়নের মতো নানা রকম দুর্দশা এবং খেটে খাওয়া মানুষদের সংগঠনে এসে নিজেকে জড়ালেন?

প্রতিবেদকের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, সবাই যদি বড় পদে ও প্রভাবশালী নেতাদের সাথে কাজ করি তবে হতদরিদ্র ও ন্যায্য অধিকার বঞ্চিত শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করবে কে?

কেউ না কেউতো করতে হবে,সবাই সব দায়িত্ব ভাগ করে নিতে হবে। সেই দায়িত্বটা আমিই নিলাম। আর সমাজের পিছিয়ে থাকা মানুষের বিপদ আপদ ও সুখ দুঃখে পাশে দাঁড়াতে আমার ছোটবেলা থেকেই ভালো লাগে। তাদের জন্য কিছু করতে পারলে মনের মধ্যে প্রশান্তি লাগে আমার।

এছাড়া শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শের সোনার বাংলা গড়তে তৃণমূলের কৃষক, শ্রমিক ও খেটে খাওয়া মানুষদের ছোট ছোট অবদানগুলো সবচে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তাদের আর্থসামাজিক ও জীবনমান উন্নয়ন এবং কর্মদক্ষতা বাড়ালে তা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে ব্যাপক উন্নয়ন ঘটাবে।

কৃষি এবং শিল্পখাতে সারাদেশে কাঁচামাল,পণ্য এবং শ্রমশক্তি চলাচল ও আমদানি রপ্তানি সড়ক পরিবহনের উপর নির্ভরশীল। আর এটা পুরোপুরি পরিচালিত হয় অটো,সিএনজি, বাস,ট্রাকে শ্রমিকদের দিয়েই। সারাদেশের সড়ক পরিবহনে সুশৃঙ্খল এবং উন্নত সেবা দিতে পরিকল্পিত পরিচালনার মূল্য কাজটাই করে শ্রমিক ইউনিয়ন ও সংগঠনগুলো।

তাই শ্রমিক সংগঠনগুলোর নেতৃত্বের ভূমিকায় তরুণ প্রজন্মের এগিয়ে আসা জরুরি। কেননা এই তরুণরাই দেশের ভবিষ্যত কর্ণধার হবে একদিন।

আমি দায়িত্ব পাওয়া আগে ও পরে বাসস্ট্যান্ডের পরিবেশ আপনারা নিজেরাই দেখতে পারছেন কেমন পরিবর্তন হয়েছে।

আমাদের লিডার,নেত্রকোনা ৩ কেন্দুয়া-আটপাড়া আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাঃ সম্পাদক আলহাজ্ব ডঃ রফিকুল ইসলাম হিলালী ভাইয়ের দিকনির্দেশনা এবং সুদক্ষ নেতৃত্বে সামনের দিনগুলোতে শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন ও যাত্রীসেবার মান উন্নত দেশগুলোর আদলে গড়ে তুলবো ,ইনশাআল্লাহ্।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো নিউজ
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট