Writing
মোঃ আশরাফুল ইসলাম
গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধি
নাটোরের গুরুদাসপুরে প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে ১৫ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে ২৮ বছর বয়সী এক নারীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিখোঁজ ছেলেকে উদ্ধারের দাবিতে গুরুদাসপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন শিক্ষার্থীর বাবা মো. ফারুক হোসেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের ঝাউপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. ফারুক হোসেনের ছেলে নুর মোহাম্মদ ইয়াছিন (১৫) সরদার কাজীমুদ্দিন টেকনিক্যাল অ্যান্ড বিএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। স্কুলে যাওয়া-আসার পথে মোছা. সেতু খাতুন (২৮) নামের এক নারী বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর ছেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন এবং গোপনে যোগাযোগ রাখতেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়, গত ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে অভিযুক্ত নারী সোনাবাজু বাজারসংলগ্ন রাস্তায় এসে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ওই শিক্ষার্থীকে ডেকে পাঠান। পরে দুপুর ২টা ১০ মিনিটের দিকে ইয়াছিন সেখানে পৌঁছালে তাঁকে বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নাটোরের দিকে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ করেন তাঁর বাবা।
ঘটনাটি স্থানীয় কয়েকজন ব্যক্তি দেখতে পেয়ে মোবাইল ফোনে ইয়াছিনের বাবাকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্য ও আত্মীয়স্বজন বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর কোনো সন্ধান পাননি। ছেলের কোনো খোঁজ না পেয়ে বর্তমানে চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে পরিবারটি।
এ ঘটনায় মো. ফারুক হোসেন অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাঁর নাবালক ছেলেকে দ্রুত উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগে স্থানীয় মো. কামরুজ্জামান, মো. আব্দুস সোবাহান ও মো. ইসলাম প্রামাণিককে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গুরুদাসপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাসুদ রানা বলেন, “উভয় পক্ষের অভিযোগ পেয়েছি। ছেলে ও মেয়েকে উদ্ধারের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।