রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০০ অপরাহ্ন

চলনবিলে কচুরিপানা অপসারণে প্রশাসনের উদ্যোগ, স্বস্তির আশা স্থানীয়দের।
অনলাইন ডেস্ক / ২৬ বার
আপডেট টাইমঃ রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২৬

 

আশরাফুল ইসলাম গুরুদাসপুর উপজেলা প্রতিনিধি, 

 

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজের উদ্যোগে চলনবিলের গুরুদাসপুর অংশে যন্ত্রের সাহায্যে কচুরিপানা অপসারণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

 

দীর্ঘদিন ধরে বিলের বিস্তীর্ণ এলাকায় কচুরিপানা জমে থাকায় স্বাভাবিক পানিপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। কোথাও জলাবদ্ধতা তৈরি হচ্ছিল, কোথাও নৌযান চলাচল ব্যাহত হচ্ছিল। কৃষিজমি থেকে সময়মতো পানি না নামায় রবিশস্যের আবাদ নিয়েও শঙ্কায় ছিলেন কৃষকেরা।

 

সম্প্রতি চলনবিলের কচুরিপানার কারণে কৃষক, জেলে ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তির বিষয়টি সংবাদমাধ্যমে উঠে আসে। এরপর প্রশাসনের পক্ষ থেকে কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

 

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিশেষ যন্ত্রের সাহায্যে কচুরিপানা কেটে পানির পথ পরিষ্কার করা হচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে আটকে থাকা পানি সরে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হচ্ছে এবং নৌকা চলাচলের পথও স্বাভাবিক হচ্ছে।

 

স্থানীয় বাসিন্দা রহিম মোল্লা বলেন, দীর্ঘদিন কচুরিপানার কারণে চলাচল ও কৃষিকাজে সমস্যা হচ্ছিল। এখন পরিষ্কারের কাজ শুরু হওয়ায় তাঁরা স্বস্তি বোধ করছেন। নিয়মিত এ কার্যক্রম চললে দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে বলে তাঁর আশা।

 

স্থানীয় জেলে জাকির মিয়া বলেন, ঘন কচুরিপানার কারণে মাছ ধরতে এবং নৌকা নিয়ে চলাচল করতে বেশ কষ্ট হতো। কচুরিপানা অপসারণ হলে মাছের স্বাভাবিক বিচরণও বাড়বে বলে তিনি মনে করেন।

 

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহমিদা আফরোজ বলেন, চলনবিলের জলাবদ্ধতা নিরসন, নৌযান চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় কচুরিপানা অপসারণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে।

 

কচুরিপানার সবুজ চাদরে দীর্ঘদিন আচ্ছাদিত চলনবিলে এখন ধীরে ধীরে খুলছে পানির পথ। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, এই উদ্যোগ অব্যাহত থাকলে কৃষি, মৎস্য ও নৌ চলাচলে স্বস্তি ফিরবে, পাশাপাশি চলনবিলও ফিরে পাবে তার স্বাভাবিক প্রাণপ্রবাহ।

আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ধরনের আরো নিউজ
জনপ্রিয় পোস্ট
সর্বশেষ আপডেট